PDF কীভাবে নিরাপদে রিড্যাক্ট করবেন
রিড্যাকশন মানে হলো ডকুমেন্ট শেয়ার করার আগে সংবেদনশীল তথ্য - নাম, অ্যাকাউন্ট নম্বর, ঠিকানা - স্থায়ীভাবে লুকিয়ে ফেলা। এটাও এমন একটা কাজ যেটা সামান্য ভুল করলেই ঠিক সেই ডেটাটাই ফাঁস করে দেয় যেটা আপনি আড়াল করতে চেয়েছিলেন। এটা নিরাপদে কীভাবে করবেন দেখে নিন।
যে ভুলটা রিড্যাকশনকে অকেজো করে দেয়
সবচেয়ে কমন ভুলটা হলো টেক্সটের ওপর একটা কালো বক্স বসিয়ে দেওয়া, যেটা পেজের ওপরে বসে থাকে অথচ নিচে আসল টেক্সটটা তখনও রয়ে যায়। কিছু টুলে লুকিয়ে রাখা সেই টেক্সট সিলেক্ট করা, কপি করা বা ফিরিয়ে আনা যায় - তাই 'রিড্যাক্ট করা' ডকুমেন্টটা চুপচাপ সেই গোপন তথ্যটাই বহন করে চলে যেটা আড়াল করার কথা ছিল। একটা সাধারণ এডিটরে শুধু একটা কালো বাক্স আঁকাটাই যথেষ্ট না।
সঠিক রিড্যাকশনে নিচের আসল কনটেন্টটা সরিয়ে ফেলতে হয় বা ফ্ল্যাটেন করে দিতে হয়, যাতে আপনি যা দেখছেন সেটাই আসলে সেখানে থাকা সবটুকু হয়। রিড্যাক্ট করা ফাইল এক্সপোর্ট করার সময় ঢেকে রাখা অংশগুলো পেজের ছবির মধ্যেই বেক করা থাকা উচিত, জীবন্ত টেক্সটের ওপর ভাসমান অবস্থায় না।
একটা নিরাপদ রিড্যাকশন ওয়ার্কফ্লো
সবসময় একটা কপির ওপর কাজ করুন, আপনার একমাত্র আসল ফাইলের ওপর কখনো না। প্রতিটা পেজে থাকা প্রতিটা সংবেদনশীল জিনিস ঢেকে দিন - এক নম্বর পেজ রিড্যাক্ট করে নয় নম্বর পেজের ফুটারে একই তথ্য থেকে যাওয়াটা সহজেই ভুলে যাওয়ার মতো একটা ব্যাপার। রিড্যাক্ট করা ফাইলটা এক্সপোর্ট করুন, তারপর সেটা আবার খুলে সরাসরি চেষ্টা করে দেখুন আপনার কালো বক্সের নিচের টেক্সট সিলেক্ট করা যাচ্ছে কিনা: কিছু সিলেক্ট না হলে বুঝবেন রিড্যাকশনটা ঠিকভাবে হয়েছে।
এটাও মনে রাখুন যে সংবেদনশীল ডেটা দৃশ্যমান টেক্সটের বাইরেও লুকিয়ে থাকতে পারে - ডকুমেন্টের মেটাডেটায়, কমেন্টে, বা সংযুক্ত ফাইলে। সত্যিকারের সংবেদনশীল কোনো কিছু শেয়ার করার আগে মেটাডেটাও মুছে ফেলুন। ব্রাউজারেই রিড্যাকশনের কাজ করলে যতক্ষণ কাজ চলছে ততক্ষণ রিড্যাক্ট না করা আসল ফাইলটা কোনো সার্ভারে যায় না।